উপরের মাটি ও তলার মাটির মধ্যে কী কী পার্থক্য দেখা যায়?
উত্তরঃ উপরের মাটি সাধারণত মিহি হয়। যত নীচে যাওয়া যায়, মাটিতে কাঁকুর ও নুড়ির পরিমাণ তত বেশি দেখা যায়।
জলে মাটি গুললে কীভাবে মাটির ভারী ও হালকা উপাদান আলাদা করা যায়?
উত্তরঃ জলে মাটি গুললে ভারী উপাদানগুলি নীচে থিতিয়ে পড়ে এবং হালকা উপাদানগুলি জলের উপরে ভেসে থাকে। এভাবেই তাদের আলাদা করে দেখা যায়।
মাটি জলে গুললে কিছুক্ষণ পর কী কী দেখা যায়?
উত্তরঃ কিছুক্ষণ পর ভারী মাটির কণাগুলি নীচে থিতিয়ে পড়ে এবং হালকা উপাদানগুলি জলের উপরে ভেসে থাকে বা ভেসে-ডোবা অবস্থায় থাকে।
মাটির কণাগুলি দেখার জন্য লেন্স কীভাবে সাহায্য করে?
উত্তরঃ লেন্সের সাহায্যে মাটির ছোটো ছোটো কণা বড়ো করে দেখা যায়। ফলে মাটিতে কী কী উপাদান আছে এবং কণাগুলির আকার কেমন তা সহজে বোঝা যায়।
কাদার কণার বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তরঃ কাদার কণা খুব মিহি। কণাগুলির ফাঁকে জল ও বাতাস থাকে। জল শুকিয়ে গেলে কণাগুলি গায়ে গায়ে লেগে শক্ত হয়ে যায় এবং জল দিলে আঠার মতো হয়।
বালি ও কাদার কণার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ কাদার কণা খুব মিহি ও ছোটো, কিন্তু বালির কণা কাদার কণার চেয়ে বড়ো এবং খালি চোখেও সহজে দেখা যায়।
বেলে মাটি ও দোআঁশ মাটির মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তরঃ যে মাটিতে বালির কণা বেশি থাকে তাকে বেলে মাটি বলে। আর যে মাটিতে বালি ও কাদা প্রায় সমান পরিমাণে থাকে তাকে দোআঁশ মাটি বলে।
দোআঁশ মাটিতে কী কী উপাদান থাকতে পারে?
উত্তরঃ দোআঁশ মাটিতে বালি, কাদা, কিছু জৈব পদার্থ এবং বিভিন্ন অস্বাভাবিক উপাদান থাকতে পারে।
জৈব পদার্থ বলতে কী বোঝো? মাটির দুটি জৈব পদার্থের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে পাওয়া পদার্থকে জৈব পদার্থ বলে। যেমন—গোবর ও পড়াপাতার কুচি।
মাটির অস্বাভাবিক উপাদান বলতে কী বোঝো? তিনটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ মাটির স্বাভাবিক উপাদানের বাইরে মানুষের ব্যবহারের ফলে মাটিতে মিশে থাকা উপাদানগুলিকে অস্বাভাবিক উপাদান বলা হয়। যেমন—পলিথিনের কুচি, অ্যালুমিনিয়ামের কুচি ও পেনের রিফিলের টুকরো।
মাটির সঙ্গে জল মেশালে কাদা আঠার মতো হয় কেন?
উত্তরঃ কাদার কণাগুলি খুব মিহি হওয়ায় জল মেশালে কাদার কণাগুলি একসঙ্গে লেগে আঠার মতো হয়ে যায়।
আগে মানুষ কীভাবে মাটি ব্যবহার করে ইটের গাঁথনি তৈরি করত?
উত্তরঃ আগে মানুষ মিহি কাদার সঙ্গে বালি মিশিয়ে সেই মাটি ব্যবহার করে ইট গাঁথত। সিমেন্ট সহজলভ্য না থাকায় বাড়ি তৈরিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো।