আমাদের শরীরের বর্ম কোনটি?
উত্তরঃ ত্বক বা চামড়া।
ত্বকের নিচে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের নাম লেখো।
উত্তরঃ ঘামগ্রন্থি ও তৈলগ্রন্থি।
ত্বকের রঙের সঙ্গে কোন পদার্থটি জড়িত?
উত্তরঃ মেলানিন।
ত্বক থেকে কী বের হয়?
উত্তরঃ ঘাম ও তেলজাতীয় পদার্থ বের হয়।
শরীরের কোন কোন জায়গায় ত্বক তুলনামূলকভাবে পুরু হয়?
উত্তরঃ হাতের চেটো, পায়ের তলা ও গোড়ালির ত্বক তুলনামূলকভাবে পুরু।
ত্বককে শরীরের বর্ম বলা হয় কেন?
উত্তরঃ ত্বক আমাদের শরীরের ভিতরের অংশকে বাইরের আঘাত, ধুলোবালি ও রোগজীবাণু থেকে রক্ষা করে। তাই ত্বককে শরীরের বর্ম বলা হয়।
হাতের চেটোর ত্বক পুরু হওয়ার একটি কারণ লেখো।
উত্তরঃ হাতের চেটো দিয়ে আমরা বিভিন্ন জিনিস ধরি ও কাজ করি। তাই বারবার ঘর্ষণ ও চাপ সহ্য করার জন্য এখানকার ত্বক তুলনামূলকভাবে পুরু।
পায়ের তলার ত্বক কেন পুরু?
উত্তরঃ হাঁটা ও দাঁড়ানোর সময় পায়ের তলার ত্বকের উপর অনেক চাপ ও ঘর্ষণ পড়ে। তাই এই চাপ সহ্য করার জন্য পায়ের তলার ত্বক পুরু হয়।
ত্বকে আঘাত লাগলে রোগের জীবাণু কীভাবে শরীরে ঢুকতে পারে?
উত্তরঃ ত্বক কেটে বা ছিঁড়ে গেলে শরীরের বাইরের অংশের সঙ্গে ভিতরের অংশের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়। সেই ক্ষতস্থান দিয়ে রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
মেলানিন আমাদের শরীরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তরঃ মেলানিন ত্বকের রঙ নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। এটি সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে কিছুটা রক্ষা করতেও সাহায্য করে।
সূর্যের আলো ত্বকের জন্য কীভাবে উপকারী এবং অতিরিক্ত অতি বেগুনি রশ্মি কেন ক্ষতিকর হতে পারে?
উত্তরঃ পরিমিত সূর্যালোক শরীরে ভিটামিন D তৈরিতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত অতি বেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং ত্বকে রোদে পোড়া বা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
ত্বক থেকে ঘাম বের হওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তরঃ ঘাম বের হওয়ার মাধ্যমে শরীর অতিরিক্ত তাপ কিছুটা বাইরে বের করে দেয়। ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য হয়।
যদি মানুষের শরীরে ত্বক না থাকত, তাহলে কী ধরনের সমস্যা হতে পারত?
উত্তরঃ ত্বক না থাকলে শরীরের ভিতরের অংশ সহজেই আঘাত, ধুলোবালি ও রোগজীবাণুর সংস্পর্শে আসত। শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে যেতে পারত এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়ত। তাই ত্বক ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।
তোমার হাতের চেটো এবং হাতের পিঠের ত্বক ভালো করে দেখো। কোন অংশে শিরা বেশি দেখা যায় বলে মনে হয়? কেন এমন হতে পারে?
উত্তরঃ সাধারণত হাতের পিঠে শিরা বেশি স্পষ্ট দেখা যায়। কারণ হাতের পিঠের ত্বক তুলনামূলকভাবে পাতলা, আর হাতের চেটোর ত্বক পুরু হওয়ায় সেখানে শিরা সহজে দেখা যায় না।
হাঁটার সময় পায়ের গোড়ালির উপর শরীরের অনেকটা ভার পড়ে। এই বিষয়টির সঙ্গে গোড়ালির ত্বকের পুরুত্বের কী সম্পর্ক আছে?
উত্তরঃ হাঁটার সময় গোড়ালির উপর শরীরের অনেকটা ভার ও চাপ পড়ে। তাই সেই চাপ ও ঘর্ষণ সহ্য করার জন্য গোড়ালির ত্বক তুলনামূলকভাবে পুরু হয়।
গরম কোনো জিনিসে ত্বক পুড়ে গেলে কখনও ফোসকা তৈরি হয় কেন?
উত্তরঃ গরম জিনিসের তাপে ত্বকের ক্ষতি হলে ত্বকের স্তরগুলোর মধ্যে তরল জমে যেতে পারে। এই তরল জমে ত্বকের উপর ছোট থলির মতো অংশ তৈরি হয়, যাকে ফোসকা বলে।